সপ্তাহ শেষে কোম্পানিটির দর দাঁড়িয়েছে ২ টাকা ৯০ পয়সায়, আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ২ টাকা ৩০ পয়সা। এতে কোম্পানিটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাপ্তাহিক দরবৃদ্ধির শীর্ষ তালিকায় উঠে এসেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) পিপলস লিজিংয়ের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৯ টাকা ৭৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৯ টাকা ৯০ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ১৫২ টাকা ৬৯ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে পিপলস লিজিংয়ের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১৪ টাকা ৯৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১১ টাকা ১৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ১৪৯ টাকা ৫০ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে পিপলস লিজিংয়ের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১১ টাকা ১৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১১ টাকা ৮ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ১৩৫ টাকা ৭০ পয়সায়।
২০০৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত পিপলস লিজিংয়ের অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ২৮৫ কোটি ৪৪ লাখ ১০ হাজার টাকা। পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ৪ হাজার ৬৫৪ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ২৮ কোটি ৫৪ লাখ ৪০ হাজার ৫৯৭। এর ১৮ দশমিক ১৫ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৯ দশমিক ২২, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক ৬৫ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৭১ দশমিক ৯৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।